• , |
  • ঢাকা, বাংলাদেশ ।
সর্বশেষ নিউজ
* এমপি আজিম হত্যাকাণ্ড: তদন্তে কলকাতা গেল ডিবির প্রতিনিধি দল * কারিগরি শিক্ষায় আগ্রহ কমছে শিক্ষার্থীদের * ঘূর্ণিঝড় রেমাল: সমুদ্রবন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত * ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল, দুপুরে আঘাত হানার শঙ্কা * ভারতে শিশু হাসপাতালে আগুনে পুড়ে ৭ নবজাতকের মৃত্যু * মোস্তাফিজের রেকর্ডে ১০ উইকেটে জিতল বাংলাদেশ * ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল, সমুদ্রবন্দরে বিশেষ সতর্কতা * রুয়েট শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার * হোয়াইটওয়াশ লজ্জা বাঁচাতে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ * সার্ভারে ত্রুটি, বন্ধ মেট্রোরেল চলাচল

নায়ক সোহেল চৌধুরীর হত্যা মামলার রায় আজ

news-details

ছবি : সংগৃহীত


ঢালিউডের সোনালি যুগের নায়ক সোহেল চৌধুরী খুনের ঘটনায় মামলার রায় আজ। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক অরুণাভ চক্রবর্তী এ রায় ঘোষণা করবেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২৫ বছর আগে খুন হওয়ার পরের বছর আশীষ রায় চৌধুরীসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। অভিযুক্ত এ মামলার ৯ আসামির মধ্যে পাঁচজন পলাতক রয়েছেন। কারাগারে আছেন সানজিদুল ইসলাম ইমন। জামিনে আছেন আশীষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরী, তারিক সাঈদ মামুন ও ফারুক আব্বাসী। 

পলাতক আসামিরা হলেন- ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আবদুল আজিজ, হারুন অর রশীদ ওরফে লেদার লিটন ওরফে বস লিটন, ট্রাম্প ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম, সেলিম খান ও আদনান সিদ্দিকী। 

২০০১ সালে বিচার শুরুর আদেশ হয়। এক আসামি ওই আদেশ চ্যালঞ্জ করে উচ্চ আদালতে গেলে আটকে যায় বিচারকার্য। এরপর উচ্চ আদালতের আদেশে আবার বিচারকার্য ২০২২ সালে শুরু হয় বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি।

রাষ্ট্রপক্ষের তথ্যানুযায়ী, ১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানীর ট্রাম্প ক্লাবের সামনে সোহেল চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। ট্রাম্প ক্লাবের মালিক বান্টি ইসলাম ও আশীষ রায় চৌধুরীর সঙ্গে বিরোধের জেরে ভাড়াটে খুনিদের দিয়ে সোহেল চৌধুরীকে হত্যা করা হয়। পরে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তদন্তে উঠে আসে আলোচিত ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের নাম।

আজিজ মোহাম্মদ ভাই ও সোহেল চৌধুরীর মধ্যে বিরোধ ছিল। সেই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী মির্জা মাহাফুজ আদালত ও পুলিশের কাছে জবানবন্দি দিয়েছিলেন। ১৬১ ধারার জবানবন্দিতে তিনি পুলিশকে বলেছিলেন, ১৯৯৮ সালের ২৪ জুলাই রাত ১০টার দিকে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ক্লাবে যান তিনি। তখন ক্লাবে আসেন আজিজ মোহাম্মদ ভাই। আজিজ মোহাম্মদ তার স্ত্রীকে গান গাইতে বলেন। 

অন্যদিকে সোহেল চৌধুরী ও তার কয়েক বন্ধু গান থামাতে বলেন। একপর্যায়ে সোহেল চৌধুরী ও তার দলের লোকজন মাহাফুজের টেবিলের সামনে আসেন। তখন তারা আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের পাশে বসা এক নারীকে উঠে আসতে বলেন। ওই নারী না উঠলে সোহেল চৌধুরী আরও ক্ষিপ্ত হয়ে মারতে যান।

উল্লেখ্য, সোহেল চৌধুরীকে কীভাবে গুলি করা হয়েছিল, সে ব্যাপারে অভিযোগপত্রে বলা হয়, সেদিন সোহেল চৌধুরী ক্লাবে ঢুকতে চেয়েছিলেন। তবে তাঁকে ক্লাবে ঢোকার অনুমতি না দিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পরে রাত ৩টার দিকে সোহেল চৌধুরী আবার ক্লাবের সামনে আসেন। তখন পেশাদার খুনিদের দিয়ে সোহেল চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

 


বিনোদন ডেস্ক

মন্তব্য করুন