• , |
  • ঢাকা, বাংলাদেশ ।
সর্বশেষ নিউজ
* প্রচণ্ড মাথাব্যথা হতে পারে স্ট্রোকের লক্ষণ * চলচ্চিত্র পরিচালক শফিক হাসান গ্রেফতার * উপনির্বাচনের ফলাফল: মহাজোট ৪, জাতীয় পার্টি ১, স্বতন্ত্র ১ * জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কিল-বেইজড কোর্সের ভর্তি কার্যক্রম শুরু * সাজা শেষে ভারত থেকে ফিরলেন ৩ বাংলাদেশি নারী * বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রফতানি, আপত্তি জানিয়ে আদানির নামে কলকাতায় মামলা * মিয়ানমারে জরুরি অবস্থার সময় বাড়াল জান্তা * চ্যাটজিপিটির লেখা সনাক্ত করতে সফটওয়্যার চালু * ইবি শিক্ষার্থী সানির লেখা উপন্যাসের মোড়ক উন্মোচন * যুক্তরাষ্ট্র বা জার্মানির ট্যাঙ্ক ধ্বংস বা জব্দ করতে পারলেই ৫০ লাখ রুবল পুরস্কার

মেট্রোরেলের টিকিট কাটা যাবে যেভাবে

news-details

মেট্রোরেল ছবি : সংগৃহীত


বহুল প্রতীক্ষিত মেট্রোরেলের উদ্বোধ আর কিছুক্ষণ পরই। রাজধানীর পরিবহন ব্যবস্থায় যুক্ত হচ্ছে নতুন মাত্রা। নাগরিকরা পেতে যাচ্ছেন নতুন এক অভিজ্ঞতা। সবার মাঝে কৌতূহল কীভাবে চড়বেন  ট্রেনে, উপভোগ করবেন নতুন অভিজ্ঞতা।  মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজনে যে ট্রেনে উঠবেন সকলে তা নয়, বরং শখের বসেও অনেকে করবেন ভ্রমণ। এই ভ্রমণের জন্য যে প্রক্রিয়া ও টিকিট পদ্ধতি তা নতুন হওয়ায় সকলের জেনে নেয়া দরকার। 

আসুন জেনে নিই কিভাবে আপনার ভ্রমণ হবে ঝামেলামুক্ত-

যেভাবে কাটা যাবে মেট্রোরেলের টিকিট

মেট্রোরেলে ভ্রমণের জন্য দুই ধরনের টিকিট রাখা হয়েছে। একটি দীর্ঘ মেয়াদে ব্যবহারের এমআরটি পাস, অপরটি এক যাত্রার (সিঙ্গেল জার্নি) কার্ড। 

ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) জানিয়েছে, শুরুতে কেবল মেট্রোরেল স্টেশনের কাউন্টার থেকে নির্দিষ্ট জামানত দিলে মিলবে এমআরটি পাস। আর একবারের যাত্রার জন্য টিকিট মিলবে স্টেশনে থাকা কাউন্টার এবং পাশের স্বয়ংক্রিয় ‘টিকিট মেশিন’ থেকে। যাত্রা শেষে নির্ধারিত মেশিনে টিকিট কার্ডটি ফেরত দিলে তবেই স্টেশন থেকে বের হতে পারবেন যাত্রীরা।

এমআরটি পাস সংগ্রহের পর নিয়মিত যাতায়াতের জন্য কাউন্টারের পাশাপাশি ‘টিকিট মেশিন’, মোবাইল ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমেও রিচার্জ করা যাবে। প্রতিটি স্টেশনের দুই প্রান্তে দুটি কাউন্টার এবং চার থেকে ছয়টি স্বয়ংক্রিয় ‘টিকিট বিক্রয় মেশিন’ আছে।

ট্রেনের যাত্রীরা একদিকের দরজা দিয়ে উঠবেন এবং নামবেন অন্যদিক দিয়ে। শেষ স্টেশনে সব যাত্রীকে নেমে যেতে হবে। অর্থাৎ কেউ ট্রেনে অবস্থান করতে পারবেন না।

মেট্রোরেলের সর্বনিম্ন ভাড়া ২০ টাকা। উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ভাড়া ৬০ টাকা। পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ট্রেন চলবে উত্তরা থেকে মতিঝিল হয়ে কমলাপুর পর্যন্ত। তখন ওই দূরত্বের ভাড়া হবে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা।


এনএনবিডি ডেস্ক:

মন্তব্য করুন