ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:
ব্রেকিং নিউজ
  • অমর একুশে বইমেলা চলবে ১৭ মার্চ পর্যন্ত**
  • টাঙ্গাইলের কালিহাতিতে তিনটি ট্রাকের সংঘর্ষে ১ জন নিহত
  • গাইবান্ধায় পুলিশের সাথে বিএনপি’র ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
  • ঘোষণা ছাড়াই বন্ধ পাসপোর্ট কার্যক্রম, ভোগান্তিতে মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৪ মার্চ ২০২২, ১৯:০৩

‘তেল আমদানিতে দৈনিক লোকসান ৮০ কোটি টাকা ’

26313_7445645.jpg
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে দেশে তেল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এখন দিনে ৮০ কোটি টাকা লোকসান গুনছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

আজ সোমবার বিদ্যুৎ ভবনের বিজয় হলে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স অব বাংলাদেশ (এফইআরবি) ও নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি (এনডব্লিউপিজিসিএল)—এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘মিট দ্যা প্রেস’—এ এ তথ্য জানান বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

এফইআরবি-র চেয়ারম্যান শামীম জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে নির্বাহী পরিচালক রিশান নাসরুল্লাহর সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিদ্যুৎ সচিব হাবিবুর রহমান, পিডিবির চেয়ারম্যান মাহাবুবুর রহমান, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহম্মদ হোসেন, নথ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির সিইও খোরশেদুল আলমসহ আরও অনেকেই বক্তব্য দেন।

প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, এখনো ৬৪ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় গ্যাস থেকে। আবার গরম বাড়তে থাকায় প্রতিদিন ২০০ মেগাওয়াট করে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে। পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই আছে। গ্রাহকপর্যায়ে দাম তেমন না বাড়িয়ে ভর্তুকি দিয়ে ঘাটতি সামলানোর চেষ্টা করছে সরকার।

অনুষ্ঠানে নসরুল হামিদ বলেন, দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা পাঁচ গুণ বেড়েছে। ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিদ্যুৎসহ দেশে এখন ক্ষমতা ২২ হাজার ৫১৪ মেগাওয়াট। আরো ১৩ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণাধীন অবস্থায় আছে। আগামী ২১ মার্চ শতভাগ বিদ্যুতায়নেরও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে। বিদ্যুতায়ন এখন ৯৯ দশমিক ৮৫ ভাগ, এটাকে শতভাগই বলা যায়। সারাদেশে এখন আমাদের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৩ কোটি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে পার্বত্য এলাকায় গভীর কূপ খনন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে সেখান থেকে ২০ থেকে ২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেতে পারে। অন্যদিকে আমাদের চাহিদা বাড়ছে হাজার হাজার ঘনফুট।

এসময় বিদ্যুৎ সচিব হাবিবুর রহমান বলেন, আমরা দুর্গম এলাকায় বিদ্যুৎ দিতে পেরেছি; এটা অনেক বড় বিষয়। সন্দ্বীপ, রাঙ্গাবালী, নিঝুম দ্বীপ, চরসোনারামপুরসহ প্রায় বেশিরভাগ চর এলাকায় আমরা বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছি।

পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রকৌশলী এ এম খোরশেদুল আলম বলেন, ‘এটা সম্ভবত বিশ্বে সবচাইতে কম সময়ে স্থাপন করা কেন্দ্র। স্বাধীনতার মাসে এই ধরনের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির একটি কেন্দ্র উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠান যাতে সফল হয় সেই আশা করছে সবাই।’

তিনি জানান, ‘পায়রা থেকে আরো একটি সঞ্চালন লাইনের রূট করা হচ্ছে। যার মাধ্যমে খুলনা ও যশোরে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যাবে। এতে এই কেন্দ্রের ৮০ থেকে ৮৫ ভাগ বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হবে।‘