ENGLISH  |  ARABIC  |  NNBDJOBS  |  BLOG
সর্বশেষ:
ব্রেকিং নিউজ
  • অমর একুশে বইমেলা চলবে ১৭ মার্চ পর্যন্ত**
  • টাঙ্গাইলের কালিহাতিতে তিনটি ট্রাকের সংঘর্ষে ১ জন নিহত
  • গাইবান্ধায় পুলিশের সাথে বিএনপি’র ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
  • ঘোষণা ছাড়াই বন্ধ পাসপোর্ট কার্যক্রম, ভোগান্তিতে মানুষ

এনএনবিডি ডেস্ক

৩০ জানুয়ারি ২০২২, ২৩:০১

আইসেন মামা চুড়ি লাগলে, কমায় দিমু

24581_02.jpg
সংগৃহীত
যেকোনে উৎসব, অনুষ্ঠানে পোশাকের সাথে রেশমি চুড়ি, কনের দুল না হলে যেন আধুনিক বাঙ্গালী জাতির সাজগোজ পূর্ণই হয় না।   শাড়ির সাথে হতে নানা রঙের রেশমি চুড়ি খ্যাত কাচেঁর চুড়ির রিনিঝিনি শব্দ এক অন্যরকম আবহ তৈরি করে।

রোববার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে টিএসসিতে এনএনবিডির সাথে কথা হয় চুড়ি বিক্রেতা রহিমা বেগম নামের এক সংগ্রামী বৃদ্ধা নারীর।

তার ভাষায় ‘১০ বছর যাবৎ এই লাইনে আছি। শীত গরম আমার কোন ছুটি নাই প্রতিদিনই দোকান বসাই, সাহেব মারা যাওনের পর থিকা পোলাপাইনেও আমারে রাখে না। আপনেগো চুড়ি বেইচা যা পাই তা দিয়াই নিজে চলি। নিজের কাজ নিজেই কইরা খাই।

বেশি লাভ করার টেনশন আমার নাই, একলা মানুষ নিজে যা কামাই তা-ই খরচ আল্লাহ ভাগ্যে যা রাখছে তাই হইবো। আপনের চুড়ি লাগলে আইসেন মামা কমায় রাখমুনে।

তিনি আরো বলেন, সকাল থিকা তেমন কাষ্টমার থাকে না। কেলাশে যাওনের সময় দুই-একজন আসে। বিয়াল বেলা ছাত্ত ছাত্তিরা ছাড়াও অনেক মানুষ ঘুড়তে আসে এইখানে তহন বেচাকিনা হয়। বিকাল আর সন্ধ্যার সময় যা হয় তা দিয়েই আলহামদুলিল্লাহ আমার চইলা যায়।

মুশমী নামের এক ক্রেতা বলেন, আমি এখানেই পড়ি। হলে থাকি। আমার যখন চুড়ির প্রয়োজন হয় তখন খালার কাছে চলে আসি। খালা দামেও কম রাখে উনার চুড়িও ভালো। আমার সাথে হলে যারা থাকে তাদেরকেও বলেছি খালার দোকান থেকে চুড়ি কিনতে।